বুয়েট এর প্রথম তিন নারী শিক্ষার্থী

আসলেই কি এই তিন সাহসী নারী রাচের সিলিং ভেঙেছিলেন! না তারা সিলিং ভেঙেনি ভেঙেছিলেন এক ভুল চিন্তার ধারা। হা, আজ বলব সাহসী তিন প্রকৌশল নারীর গল্প যারা কিনা ছিলেন আমাদের দেশের প্রথম তিন নারী প্রকৌশল।

ভাবতে পারেন? ১৯৬৪ সালে তিন সাহসী নারী—খালেদা শহরিয়ার কবির (ডোরা), মনোয়ারা বেগম আর শিরিন সুলতানা (চুমকি)— পূর্ব তৎকালীন পাকিস্তানের সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল, আজকের BUET এ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন দেখার সাহস করেছিলেন। কিন্তু তখনকার ভিসি যিনি কিনা BUET এর প্রথম ভিসি ছিলেন ড. এম এ রশীদ সোজা বলে দিলেন, “মেয়েদের এখানে ভর্তি করা যাবে না!” কারণ? সমাজ নাকি মানবে না। যেন অঙ্ক আর ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সমীকরণ লিঙ্গ দেখে চলে!

কিন্তু ডোরা-চুমকিরা হাল ছাড়লেন না। তারা বললেন— “সংবিধানে দেখান তো, কোথায় লেখা আছে মেয়েরা বুয়েটে পড়তে পারবে না?” তারা দৃঢ়ভাবে দাবি করলেন ভর্তি পরীক্ষায় বসার সুযোগ। অবশেষে তাঁদের জেদের সামনে কর্তৃপক্ষ হার মানল। তবে শর্ত ছিল একটাই: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নয়—কারণ নাকি ওটা মেয়েদের পক্ষে “খুব কষ্টকর” ! ব্যঙ্গাত্মক না? যাদের দুর্বল বলা হয়েছিল, তারাই আজ ইতিহাসে প্রথম নারী ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রীর নাম লিখে গেলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *