ডাকসু নির্বাচন ঘিরে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা।

সময়: ১৯৮২। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে আবারও সরগরম হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর প্রস্তুতি আর নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে তৈরি হয়েছে এক ধরনের নির্বাচনী আমেজ।

ডাকসু নির্বাচন বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে ডাকসু নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে বহু আলোচনার পর আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা ছাত্রসমাজের মধ্যে নতুন করে আশা জাগিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্বকারী সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে আবারও সরগরম হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর প্রস্তুতি আর নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে তৈরি হয়েছে এক ধরনের নির্বাচনী আমেজ।

ডাকসু নির্বাচন বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে ডাকসু নেতারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছিল। অবশেষে বহু আলোচনার পর আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা ছাত্রসমাজের মধ্যে নতুন করে আশা জাগিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্বকারী সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ডাকসুর ইতিহাস ১৯২৩-২৪ সালে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ” নামে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু হয় এবং ১৯৫৩ সালে এর নাম পরিবর্তন করে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ” রাখা হয়। এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, বিশেষ করে ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং এরশাদবিরোধী আন্দোলনে এর অবদান রয়েছে, যে কারণে একে বাংলাদেশের ‘দ্বিতীয় সংসদ’ও বলা হয়।
প্রতিষ্ঠা ও নামকরণ:
১৯২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ:
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ” নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫৩ সাল:
গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমান “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ” রাখা হয়।
ঐতিহাসিক ভূমিকা:
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদ:
ডাকসুর ঐতিহাসিক ভূমিকার জন্য একে বাংলাদেশের ‘দ্বিতীয় সংসদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
রাজনৈতিক আন্দোলন:
ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, এবং ৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ডাকসুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
পতাকা উত্তোলন:
১৯৭১ সালের ২ মার্চ আ. স. ম. আবদুর রবের নেতৃত্বে ডাকসু ছাত্র-জনতা সর্বপ্রথম বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে, যা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
ডাকসু নির্বাচন:
ডাকসু নির্বাচন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি দেশের জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলে।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর অবশেষে ২০১৯ সালে এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসুর কেন্দ্রীয় কমিটি ও হল সংসদসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *